× CART

No item in cart.

সহিহ বুখারী

পরিচ্ছদঃ ৯১ | হাদিসের বিষয়: স্বপ্নের ব্যখ্যা প্রদান

৯১/৭০৩৮: কেউ স্বপ্নে দেখল যে, সে একদিক থেকে একটা জিনিস বের করে অন্য জায়গায় রেখেছে ।

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি দেখেছি যেন এলোমেলো চুলওয়ালা একজন কালো মহিলা মাদীনাহ থেকে বের হয়ে মাহইয়াআ নামক স্থানে গিয়ে দাঁড়িয়েছে আর এটিকে জুহ্‌ফা বলা হয়। আমি এ স্বপ্নের ব্যাখ্যা করলাম যে, মাদীনাহর মহামারী সেখানে স্থানান্তরিত হল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৬১)

إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنِي أَخِي عَبْدُ الْحَمِيدِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلاَلٍ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ رَأَيْتُ كَأَنَّ امْرَأَةً سَوْدَاءَ ثَائِرَةَ الرَّأْسِ خَرَجَتْ مِنْ الْمَدِينَةِ حَتَّى قَامَتْ بِمَهْيَعَةَ وَهِيَ الْجُحْفَةُ فَأَوَّلْتُ أَنَّ وَبَاءَ الْمَدِينَةِ نُقِلَ إِلَيْهَا.

বর্ণনাকারীঃ সালিমার পিতা ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

৯১/৭০৩৯: স্বপ্নে কালো মহিলা দেখা ।

তিনি মাদীনাহ সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্বপ্নের বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন। তিনি বলেছেনঃ আমি দেখেছি এলোমেলো চুল ওয়ালা একজন কালো মহিলা মাদীনাহ থেকে বের হয়েছে। অবশেষে মাহইয়ায়া নামক জায়গায় অবস্থান নিয়েছে। আমি এর ব্যাখ্যা করলাম যে, মদীনার মহামারী মাহইয়া‘আহ তথা জুহ্‌ফা নামক জায়গায় স্থানান্তরিত হল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৬২)

مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنَا مُوسَى حَدَّثَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللهِ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ فِي رُؤْيَا النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَدِينَةِ رَأَيْتُ امْرَأَةً سَوْدَاءَ ثَائِرَةَ الرَّأْسِ خَرَجَتْ مِنْ الْمَدِينَةِ حَتَّى نَزَلَتْ بِمَهْيَعَةَ فَتَأَوَّلْتُهَا أَنَّ وَبَاءَ الْمَدِينَةِ نُقِلَ إِلَى مَهْيَعَةَ وَهِيَ الْجُحْفَةُ

বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

৯১/৭০৪০: স্বপ্নে এলোমেলো চুল ওয়ালা মহিলা দেখা ।

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি স্বপ্নে দেখেছি। এলোমেলো চুলওয়ালা একজন কালো মহিলা মাদীনাহ থেকে বের হয়ে মাহইয়ায়া তথা জুহ্‌ফা নামক জায়গায় গিয়ে থেমেছে। আমি এর ব্যাখ্যা করলাম যে, মদীনার মহামারী সেখানে স্থানান্তরিত হল।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৬৩)

إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ رَأَيْتُ امْرَأَةً سَوْدَاءَ ثَائِرَةَ الرَّأْسِ خَرَجَتْ مِنْ الْمَدِينَةِ حَتَّى قَامَتْ بِمَهْيَعَةَ فَأَوَّلْتُ أَنَّ وَبَاءَ الْمَدِينَةِ نُقِلَ إِلَى مَهْيَعَةَ وَهِيَ الْجُحْفَةُ.

বর্ণনাকারীঃ সালিমার পিতা ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

৯১/৭০৪১: স্বপ্নে নিজেকে তরবারী নাড়াচাড়া করতে দেখা ।

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্বপ্ন বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, তিনি বলেছেনঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম একটা তরবারী নাড়াচাড়া করছি। আর এ মধ্যভাগ ভেঙ্গে গেল। এর ব্যাখ্যা হল বিপদ, যা উহুদের যুদ্ধে মু’মিনদের ভাগ্যে ঘটেছে। আবার আমি তরবারিটি নাড়লাম। এতে তরবারীটি আগের থেকে সুন্দর অবস্থায় ফিরে এল। এর ব্যাখ্যা হল আল্লাহ্‌র দেয়া বিজয় ও মু’মিনদের ঐক্য। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৬৪)

مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ بُرَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ جَدِّهِ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِي مُوسَى أُرَاهُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ رَأَيْتُ فِي رُؤْيَايَ أَنِّي هَزَزْتُ سَيْفًا فَانْقَطَعَ صَدْرُهُ فَإِذَا هُوَ مَا أُصِيبَ مِنْ الْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ أُحُدٍ ثُمَّ هَزَزْتُهُ أُخْرَى فَعَادَ أَحْسَنَ مَا كَانَ فَإِذَا هُوَ مَا جَاءَ اللهُ بِهِ مِنْ الْفَتْحِ وَاجْتِمَاعِ الْمُؤْمِنِينَ.

বর্ণনাকারীঃ আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

৯১/৭০৪২: যে ব্যক্তি স্বীয় স্বপ্ন বর্ণনায় মিথ্যা বলল ।

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যে লোক এমন স্বপ্ন দেখার ভান করল যা সে দেখেনি তাকে দু’টি যবের দানায় গিট দেয়ার জন্য বাধ্য করা হবে। অথচ সে তা কখনও পারবে না। যে কেউ কোন এক দলের কথার দিকে কান লাগাল। অথচ তারা এটা পছন্দ করে না অথবা বলেছেন, অথচ তারা তার থেকে পলায়নপর। ক্বিয়ামাতের দিন তার উভয় কানে সীসা ঢেলে দেয়া হবে। আর যে কেউ প্রাণীর ছবি আঁকে তাকে শাস্তি দেয়া হবে এবং তাতে প্রাণ ফুঁকে দেয়ার জন্য বাধ্য করা হবে। কিন্তু সে প্রাণ ফুঁকতে পারবে না। সুফ্ইয়ান বলেছেন, আইউব এ হাদীসটি আমাদেরকে মওসুল রূপে বর্ণনা করেছেন।

কুতাইবাহ (রহঃ) বলেন, আবূ আওয়ানা (রহঃ).....আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে তাঁর উক্তি বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি নিজের স্বপ্ন মিথ্যা বর্ণনা করে।

শু’বা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে তাঁর উক্তি বর্ণনা করেন, যে কেউ ছবি আঁকে.....যে কেউ মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করে.....যে কেউ কান লাগায়.....।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। (তিনি বলেন) যে কেউ কান লাগাবে…..যে কেউ মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করবে.....যে কেউ ছবি আঁকবে.....অবশিষ্ট হাদীস একই রকম বর্ণনা করেছেন.....। হিশাম (রহঃ) ইকরামাহ থেকে ইব্‌নু ‘আব্বাস সূত্রে খালিদ এর অনুসরণ করেছেন। [১৫২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৬৬)

عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ تَحَلَّمَ بِحُلْمٍ لَمْ يَرَهُ كُلِّفَ أَنْ يَعْقِدَ بَيْنَ شَعِيرَتَيْنِ وَلَنْ يَفْعَلَ وَمَنْ اسْتَمَعَ إِلَى حَدِيثِ قَوْمٍ وَهُمْ لَهُ كَارِهُونَ أَوْ يَفِرُّونَ مِنْهُ صُبَّ فِي أُذُنِهِ الْآنُكُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَنْ صَوَّرَ صُورَةً عُذِّبَ وَكُلِّفَ أَنْ يَنْفُخَ فِيهَا وَلَيْسَ بِنَافِخٍ قَالَ سُفْيَانُ وَصَلَهُ لَنا أَيُّوبُ وَقَالَ قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَوْلَهُ مَنْ كَذَبَ فِي رُؤْيَاهُ وَقَالَ شُعْبَةُ عَنْ أَبِي هَاشِمٍ الرُّمَّانِيِّ سَمِعْتُ عِكْرِمَةَ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ قَوْلَهُ مَنْ صَوَّرَ صُورَةً وَمَنْ تَحَلَّمَ وَمَنْ اسْتَمَعَ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ خَالِدٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَنْ اسْتَمَعَ وَمَنْ تَحَلَّمَ وَمَنْ صَوَّرَ نَحْوَهُ تَابَعَهُ هِشَامٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَوْلَهُ.

[১] এই হাদীসটিতে তিনটি হুকুম শামিল রয়েছে, যথা :

(১) মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা, (২) যে ব্যক্তি চায়, তার কথা কেউ শ্রবণ না করুক এমন কথা শ্রবণ করা এবং (৩) ছবি সংক্রান্ত।

ইমাম ত্ববারী মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা সম্পর্কে বলেন, এ ব্যাপারে শাস্তি দেয়ার ওয়াদা তীব্র হয়েছে। অথচ সজাগ থাকা অবস্থায় মিথ্যা বলা কখনও কখনও তার চাইতে অধিকতর মারাত্মক অন্যায়। যেমন : হত্যা, হাদ্দ অথবা সম্পদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয়া। কারণ স্বপ্নের ব্যাপারে মিথ্যারোপ যেন আল্লাহর উপরেই মিথ্যারোপ করা যে আল্লাহ তাকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন অথচ তা সে দেখেনি। আর আল্লাহর উপর মিথ্যা বলা সৃষ্টিকুলের উপর মিথ্যা বলার চাইতে অধিকতর গুরুতর।

এর প্রমাণ, আল্লাহ তা‘আলা বলেন :

{وَيَقُولُ الْأَشْهَادُ هَؤُلاءِ الَّذِينَ كَذَبُوا عَلَى رَبِّهِمْ} (هود: من الآية১৮)

আর স্বপ্নের ব্যাপারে মিথ্যা বলা যেন প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর উপরেই মিথ্যা বলা। তার প্রমাণ, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন الرؤيا جزء من النبوة সুতরাং যা নবুওয়াতের অংশ তা তো আল্লাহর পক্ষ থেকেই হবে।

বর্ণনাকারীঃ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

Showing 56 - 60 of 65 Hadiths
//
TOP