× CART

No item in cart.

সহিহ বুখারী

পরিচ্ছদঃ ৭৫ | হাদিসের বিষয়: রোগীদের বর্ণনা

৭৫/৫৬৫০: রোগীর সেবা করা ওয়াজিব।

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাতটি জিনিসের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয়ে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের নিষেধ করেছেনঃ সোনার আংটি, মোটা ও পাতলা এবং কারুকার্য খচিত রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে এবং কাস্‌সী ও মীসারাহ [৫৬] কাপড় ব্যবহার করতে। আর তিনি আমাদের আদেশ করেছেনঃ আমরা যেন জানাযার পশ্চাতে যাই, পীড়িতের সেবা করি এবং সালামের প্রসার ঘটাই।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৩৪)

حَفْصُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ أَخْبَرَنِي أَشْعَثُ بْنُ سُلَيْمٍ قَالَ سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ بْنَ سُوَيْدِ بْنِ مُقَرِّنٍ عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ أَمَرَنَا رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِسَبْعٍ وَنَهَانَا عَنْ سَبْعٍ نَهَانَا عَنْ خَاتَمِ الذَّهَبِ وَلُبْسِ الْحَرِيرِ وَالدِّيبَاجِ وَالإِسْتَبْرَقِ وَعَنِ الْقَسِّيِّ وَالْمِيثَرَةِ وَأَمَرَنَا أَنْ نَتْبَعَ الْجَنَائِزَ وَنَعُودَ الْمَرِيضَ وَنُفْشِيَ السَّلاَمَ.

[৫৬] বিশেষ এক ধরনের রেশমী পোষাক।

বর্ণনাকারীঃ বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

৭৫/৫৬৫১: সংজ্ঞাহীন ব্যক্তির সেবা করা।

তিনি বলেন, একবার আমি ভীষণভাবে পীড়িত হয়ে গেলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আবু বাক্‌র (রাঃ) পায়ে হেঁটে আমার খোঁজ খবর নেয়ার জন্য আমার নিকট আসলেন। তাঁরা আমাকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় আমাকে পেলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অযূ করলেন। তারপর তিনি তাঁর অবশিষ্ট পানি আমার গায়ের উপর ছিটিয়ে দিলেন। ফলে আমি জ্ঞান ফিরার পর দেখলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমার সম্পদের ব্যাপারে আমি কী করব? আমার সম্পদ সম্পর্কে কীভাবে আমি সিদ্ধান্ত গ্রহন করব? তিনি তখন আমাকে কোন জবাব দিলেন না। শেষে মীরাসের আয়াত অবতীর্ণ হল। [১৯৪; মুসলিম ২৩/২, হাঃ ১৬১৬, আহমাদ ১৪৩০২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৩৫)

عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ يَقُوْلُ مَرِضْتُ مَرَضًا فَأَتَانِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَعُودُنِي وَأَبُو بَكْرٍ وَهُمَا مَاشِيَانِ فَوَجَدَانِي أُغْمِيَ عَلَيَّ فَتَوَضَّأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَبَّ وَضُوءَه“ عَلَيَّ فَأَفَقْتُ فَإِذَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ كَيْفَ أَصْنَعُ فِي مَالِي كَيْفَ أَقْضِي فِي مَالِي فَلَمْ يُجِبْنِي بِشَيْءٍ حَتّٰى نَزَلَتْ آيَةُ الْمِيرَاثِ.

বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

৭৫/৫৬৫২: মৃগী রোগে আক্রান্ত রোগীর ফাযীলাত ।

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেনঃ আমি কি তোমাকে একজন জান্নাতী মহিলা দেখাব না? আমি বললামঃ অবশ্যই। তখন তিনি বললেনঃ এই কালো রঙের মহিলাটি, সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসেছিল। তারপর সে বললঃ আমি মৃগী রোগে আক্রান্ত হই এবং এ অবস্থায় আমার লজ্জাস্থান খুলে যায়। সুতরাং আপনি আমার জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দু’আ করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি চাও ধৈর্যধারণ করতে পার। তোমার জন্য আছে জান্নাত। আর তুমি যদি চাও, তাহলে আমি আল্লাহ্‌র কাছে দু’আ করি, যেন তোমাকে আরোগ্য করেন। স্ত্রীলোকটি বললঃ আমি ধৈর্যধারণ করব। সে বললঃ ঐ অবস্থায় আমার লজ্জাস্থান খুলে যায়, কাজেই আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন আমার লজ্জাস্থান খুলে না যায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর জন্য দু’আ করলেন।

‘আত্বা (রহ:) হতে বর্ণিত যে, তিনি সেই উম্মু যুফার (রাঃ) -কে দেখেছেন কা’বার গিলাফ ধরা অবস্থায়। সে ছিল দীর্ঘ দেহী কৃষ্ণ বর্ণের এক মহিলা।[মুসলিম ৪৫/১৪, হাঃ ২৫৭৬, আহমাদ ৩২৪০]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৩৭)

مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيٰى عَنْ عِمْرَانَ أَبِي بَكْرٍ قَالَ حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ قَالَ قَالَ لِي ابْنُ عَبَّاسٍ أَلاَ أُرِيكَ امْرَأَةً مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ قُلْتُ بَلٰى قَالَ هٰذِهِ الْمَرْأَةُ السَّوْدَاءُ أَتَتْ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ إِنِّي أُصْرَعُ وَإِنِّي أَتَكَشَّفُ فَادْعُ اللهَ لِي قَالَ إِنْ شِئْتِ صَبَرْتِ وَلَكِ الْجَنَّةُ وَإِنْ شِئْتِ دَعَوْتُ اللهَ أَنْ يُعَافِيَكِ فَقَالَتْ أَصْبِرُ فَقَالَتْ إِنِّي أَتَكَشَّفُ فَادْعُ اللهَ لِي أَنْ لاَ أَتَكَشَّفَ فَدَعَا لَهَا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ أَخْبَرَنَا مَخْلَدٌ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ أَنَّه“ رَأٰى أُمَّ زُفَرَ تِلْكَ امْرَأَةً طَوِيلَةً سَوْدَاءَ عَلٰى سِتْرِ الْكَعْبَةِ.

বর্ণনাকারীঃ আত্বা ইবনু আবূ রাবাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

৭৫/৫৬৫৩: যে ব্যক্তি দৃষ্টিশক্তিহীন হয়ে পড়েছে তার ফাযীলাত।

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ বলেছেনঃ আমি যদি আমার কোন বান্দাকে তার অতি প্রিয় দু’টি বস্তু সম্পর্কে পরীক্ষায় ফেলি, আর সে তাতে ধৈর্য ধরে, তাহলে আমি তাকে সে দু’টির বিনিময়ে জান্নাত দান করব। আনাস (রাঃ) বলেন, দু’টি প্রিয় বস্তু হল সে ব্যক্তির চক্ষুদ্বয়। এরকম বর্ণনা করেছেন ‘আশ্‌’আস ইবনু জাবির ও আবূ যিলাল (রহ:) আনাস (রাঃ) -এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে। [৫৭](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৩৮)

عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ قَالَ حَدَّثَنِي ابْنُ الْهَادِ عَنْ عَمْرٍو مَوْلَى الْمُطَّلِبِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلميَقُوْلُ إِنَّ اللهَ قَالَ إِذَا ابْتَلَيْتُ عَبْدِي بِحَبِيبَتَيْهِ فَصَبَرَ عَوَّضْتُه“ مِنْهُمَا الْجَنَّةَ يُرِيدُ عَيْنَيْهِ تَابَعَه“ أَشْعَثُ بْنُ جَابِرٍ وَأَبُو ظِلاَلِ بْنُ هِلاَلٍ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

[৫৭] উপরিউক্ত হাদীসে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’চোখ হারানো ব্যক্তির ফাযীলাত বর্ণনা করে তাঁকে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। যদি উক্ত অন্ধ লোকটি আন্তরিকতার সাথে সবর করতে পারে। আফসোসের ব্যাপার এই যে, আমাদের সমাজে জাহিলী চরিত্রের লোকেরা চোখ হারানো ব্যক্তিটি যত বড় ‘আলিম, বুযুর্গ, পরহেজগার হোন না কেন, তাকে নিয়ে উপহাস তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে আর বলে, ঐ লোকের পাপ আল্লাহ তা'আলা সহ্য করতে না পেরে ওর দু’টি চোখ অন্ধ করে দিয়েছেন। ঐ লোক যদি ভালই হবে, তবে তার এক চোখ বা দুই চোখ কানা হবে কেন? পবিত্র কুরআন সাক্ষ্য দেয়ঃ ইয়াকূব (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দুই চোখ অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। হারানো ছেলের চিন্তায় তাঁর উভয় চোখ সাদা (অন্ধ) হয়ে গিয়েছিল। এখন বুঝতে হবে আল্লাহ্‌র নবী ইয়াকূব (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি অন্ধ হতে পারেন তাহলে সাধারণ পরহেজগার লোকের অন্ধ হওয়াটা তো কোন বিষয়ই হতে পারে না। আল্লাহর নবীর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ হাদীস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে অন্ধ লোকের প্রতি আমরা যেন যথাযথ আচরণ করতে সচেষ্ট হই।

বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

৭৫/৫৬৫৪: মহিলাদের পুরুষ রোগীর সেবা করা।

তিনি বলেন, যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদিনায় আসলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) ও বিলাল (রাঃ) জ্বরে আক্রান্ত হলেন। তিনি বলেনঃ আমি তাঁদের কাছে গেলাম এবং বললামঃ হে আব্বাজান! আপনাকে কেমন লাগছে? হে বিলাল! আপনাকে কেমন লাগছে? আবূ বকর (রাঃ) -এর অবস্থা ছিল, তিনি যখন জ্বরে আক্রান্ত হতেন তখন তিনি আওড়াতেনঃ
“সব মানুষ সুপ্রভাত ভোগ করে আপন পরিবার পরিজনের মধ্যে,
আর মৃত্যু অপেক্ষা করে তার জুতার ফিতার চেয়ে নিকটে।”

বিলাল (রাঃ) -এর জ্বর যখন থামত তখন তিনি বলতেনঃ
“হায়! আমি যদি লাভ করতাম একটি রাত কাটানোর সুযোগ
এমন উপত্যকায় যে আমার পাশে আছে ইয্‌খির ও জালীল ঘাস।
যদি আমার অবতরণ হতো কোন দিন মাজিন্নার কূপের কাছে।
হায়! আমি কি কখনো দেখা পাব শামাহ্‌ ও ত্বফীলের[১]।”

‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, এরপর আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে তাঁকে এদের অবস্থা অবগত করলাম। তখন তিনি দু’আ করে বললেনঃ হে আল্লাহ! মাদীনাহ্‌কে আমাদের কাছে প্রিয় করে দাও, যেমন তুমি আমাদের কাছে মাক্কাহ প্রিয় করে দিয়েছিলে কিংবা সে অপেক্ষা আরো অধিক প্রিয় করে দাও। হে আল্লাহ! আর মাদীনাহকে উপযোগী করে দাও এবং মাদীনাহ্‌র মুদ্দ ও সা’ এর ওযনে বারাকাত দান কর। আর এখানকার জ্বরকে সরিয়ে দাও জুহ্‌ফা এলাকায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৩৯)

قُتَيْبَةُ عَنْ مَالِكٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ لَمَّا قَدِمَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ وُعِكَ أَبُو بَكْرٍ وَبِلاَلٌ قَالَتْ فَدَخَلْتُ عَلَيْهِمَا قُلْتُ يَا أَبَتِ كَيْفَ تَجِدُكَ وَيَا بِلاَلُ كَيْفَ تَجِدُكَ قَالَتْ وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ إِذَا أَخَذَتْهُ الْحُمّٰى يَقُوْلُ :
كُلُّ امْرِئٍ مُصَبَّحٌ فِي أَهْلِه„ وَالْمَوْتُ أَدْنٰى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِ
وَكَانَ بِلاَلٌ إِذَا أَقْلَعَتْ عَنْه“ يَقُوْلُ :
أَلاَ لَيْتَ شِعْرِي هَلْ أَبِيتَنَّ لَيْلَةً بِوَادٍ وَحَوْلِي إِذْخِرٌ وَجَلِيلُ
وَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مِجَنَّةٍ وَهَلْ تَبْدُوَنْ لِي شَامَةٌ وَطَفِيلُ
قَالَتْ عَائِشَةُ فَجِئْتُ إِلٰى رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُه“ فَقَالَ اللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْمَدِينَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ اللَّهُمَّ وَصَحِّحْهَا وَبَارِكْ لَنَا فِي مُدِّهَا وَصَاعِهَا وَانْقُلْ حُمَّاهَا فَاجْعَلْهَا بِالْجُحْفَةِ.

[১] শামা ও তাফীল মক্কা শরীফের দু’টি পর্বতের নাম। কারো কারো মতে দু’টি কূপের নাম।

বর্ণনাকারীঃ আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

Showing 11 - 15 of 38 Hadiths
//
TOP